আলহাজ কাজী সিরাজুল ইসলামের গনমানুষের নেতা হওয়ার নেপথ্য কাহিনী!

0
পুরাতন ছবি ......

রাইজিং ডেস্ক||এস.এইচ

 

মানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে সেই ছোট্ট বেলা থেকে মুখিয়ে থাকতেন। মানুষের তরে কাজ করতে পারা যার একমাত্র সুখানুভূতি সেই মহান মানুষটি ছোট বেলা থেকে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে সমাজসেবায় পদার্পন করেন। মানুষের কাছে গিয়ে তাদের সেবক হয়ে নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার মাঝেই তিনি আনন্দ খোঁজতেন। তার লক্ষ ছিলো মানুষের অতি নিকটে গিয়ে সেবা করা। যার ফলে নিজের জীবন জনসেবার জন্যই উৎসর্গ করেছেন।

উপরোক্ত বর্ণনাতে অনেকেই হয়তো বুঝতে পেরেছেন কোন মহান মানুষের কথা বলা হয়েছে। আসলে তিনি আর কেই নন। আমাদের সকলের পরিচিত, প্রিয় মুখ, বরেণ্য রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও আমিন জুয়েলার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক এমপি আলহাজ কাজী সিরাজুল ইসলাম।

১৯৪০ সালের ১৬ অক্টোবর ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা থানার বানা ইউনিয়নের গড়ানিয়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত কাজী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম কাজী ওয়াহেদ দীর্ঘদিন ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন এবং মাতা আমেনা খাতুন। কাজী সিরাজুল ইসলাম বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য।

এছাড়া তিনি তার ব্যবসায়ীক সুনাম, সততা, নিষ্ঠা আর আদর্শ দিয়ে নিজেকে ধীরে ধীরে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তিনি এখন সফল ব্যবসায়ীদের কাতারে অন্যতম প্রধান মুখ। তার নিজের প্রচেষ্টায় তিনি এখন ডাইরেক্টর হিসেবে আছেন প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, গভর্নিং বডির সদস্য পিপলস ইউনিভার্সিটি, চেয়ারম্যান সোনার বাংলা জীবনবীমা লি., জিবি সদস্য, সিটি হাসপাতাল।

মহান এই নেতা গনমানুষের আস্হায় আওয়ামী লীগ থেকে দুইবার নির্বাচিত হয়ে মানুষের সেবা করার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন। নিজ নির্বাচনী এলকার পাশাপাশি সারা বাংলাদেশে উন্নয়নের ছোঁয়া রাখতে দিনের পর দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।

বর্তমানে সাংসদ সদস্য না হয়েও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।দেশ ও সমাজের উন্নয়নে বহু অবদান রেখে চলেছেন তিনি। যার মধ্যে মধুখালী, বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গাজুড়ে রয়েছে উন্নয়নের ছোঁয়া। সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, সামাজিক উন্নয়নে রয়েছে সাবেক এমপি আলহাজ কাজী সিরাজুল ইসলামের যথেষ্ঠ অবদান।

মহান এই স্বপপুরুষ, সোনার বাংলায় অবদান রাখার প্রয়াসে তিনি অনেক প্রতিষ্ঠান করেছেন; তন্মধ্যে বোয়ালমারীতে কাজী সিরাজুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসা, কাজী সিরাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়, কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজ, আড়পাড়ায় কাজী সিরাজুল ইসলাম গালস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, জিনিষনগরে কাজী সিরাজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়, আলফাডাঙ্গায় কাজী সিরাজুল ইসলাম হোমিওপ্যাথি কলেজ, বেজীডাঙ্গায় কাজী আমেনা ওয়াহেদ উচ্চ বিদ্যালয়, আমডাঙ্গায় কাজী ফরিদা সিরাজ বিদ্যানিকেতন।

এই স্পনদ্রষ্টা গনমানুষের তরে নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েও খ্যান্ত হতে পাড়েন নি। তিনি এখনো মনে করেন মানুষের সেবা করা তার শেষ হয়নি। তার নিজ এলাকায় একটি মেডিকেল কলেজের তিনি অভাববোধ করেন। তাইতো তাঁর একান্ত ইচ্ছে অনন্ত নিজের নির্বাচনী এলাকায় একটি মেডিকেল কলেজ করার।

তিনি এমন একজন নেতা, যে কিনা মানুষের সেবার তরে নিজেকে ব্যাস্ত রাখতে সব থেকে বেশি ভালোবাসেন। আর তাইতো পরের তরে কাজ করতে তাকে কখনো হাপাতে দেখেনি কেউ।ধারাবাহিকভাবে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন দেশ-জাতির উন্নয়নে। তিনি নিজেকে সত্যি প্রমান করতে পেরেছেন তিনিই গনমানুষের নেতা। কারণ, তাঁর থেকে কখনো কোন মানুষ উপকার চেয়ে ফেরত আসেনি। নিজে গরীব-অসহায় মানুষের পাশে থেকে কিছু করার চেষ্টা করেন। তার এই চেষ্টা অব্যাহত রাখতে, মানুষের সেবক হয়ে থাকতে, এবং উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করতে আবারো ফরিদপুর-১  আসনের এমপি হিসেবে কাজ করতে চান।

মহান এই নেতা গনমানুষের পছন্দের তালিকায় সবার উপরে। তার প্রতি আস্হা রাখেন বলেই এবারো তিনি এমপি হিসেবে নিজেকে লড়াই করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী মাঠ প্রস্তুত করছেন। সাধারণ জনগন তাঁর প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ ঘটিয়ে নিজেদেরকে নানা কাজে মহান এই নেতার কাছে চলে আসছেন।

মানুষের কাছে নেতা হিসেবে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিতে পারার অন্যতম কারন বলা যায় তাঁর সাধারণ জনতার সঙ্গে মিশে কাজ করার ক্ষমতা প্রবল। এছাড়া, ভদ্র, শিক্ষানুরাগী, দানবীর হিসাবে খ্যাত পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক হিসেবে এলাকায় সর্বসস্তরের মানুষের কাছে তিনি বরেণ্য। সব থেকে বড় ব্যাপার, তিনি মানুষের বিপদ দেখলে চুপ করে বসে থাকতে পারেন না। ছুটে চলে যান বিপদকে উদ্ধার করতে। আর এর জন্যই তার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বি।

সাধারণ মানুষের নয়নের মণি, গনমানুষের সর্বোকালের নেতাকে তাই এলাকার জনতা আবারো নির্বাচনের মাঠে দেখতে চান। এমপি হিসেবে তাদের মাঝে আবারো পেতে চান। আর সব কিছু বিবেচনায় রেখে আগামী সংসদ নির্বাচনে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে চলেছেন আমিন জুয়েলার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক এমপি আলহাজ কাজী সিরাজুল ইসলাম।

 

 

Comments

comments