চলনবিলের জমিদার ও ভুতুড়ে মন্দির রহস্য!!

0

রাইজিং ডেস্ক|| তিলোত্তমা সাইফী

নাটোরের চলনবিল নাম শোনেননি কেউ নেই। তবে এই জায়গাকে ঘিরেই সবসময় অদ্ভুদ কথার প্রচলন চলে আসছে। কিন্তু এ জায়গাটির প্রতিই মানুষের আকর্ষন বেশী।

চলনবিল বাংলাদেশের ভ্রমনপিপাসু মানুষের কাছে একটি পছন্দের নাম। প্রতি বছর প্রচুর দেশি বিদেশি পর্যটকসেখানে ভ্রমন করতে যান। কিন্তু নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের পাশাপাশি ভৌতিক স্থানের বিচারেও শোনা যায় এই চলনবিলের কথা। এটি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত সবচেয়ে বড় বিল। মূলত নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা এই তিন জেলা জুড়ে এটি বিস্তৃত। তবে ভুতুড়ে স্থান বলতে শুধুমাত্র সিরাজগঞ্জের আশে পাশের অঞ্চলকে বোঝানো হয়ে থাকে।

এই ভূতুড়ে কাহিনীর মূলবিন্দু হচ্ছে সেই সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াস নামক উপজেলা। শোনা যায়, চলনবিলের এই এলাকায় অনেক আগে একজন নামকরা জমিদারের বসবাস ছিলো। প্রজাদের ধারনা ছিলো জমিদার ছিলেন অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার অধিকারী। কিন্তু একদিন রাতে কোণ এক অজ্ঞাত কারণে হঠাৎ করে জমিদার মারা গেলেন। আর সেই রাতের ভেতরেই সেখানে গজিয়ে উঠলো তিন- তিনটি মন্দির! আরও হতবাক করা ব্যাপার হচ্ছে যে- মন্দিরটি পরের দিনই নিজ থেকে ভেঙ্গে পড়ে যায়। আর সেই থেকেই লোকমুখে এই তিনটি মন্দির ও মধ্যবর্তীবিলের এলাকাটির উপর ভুতুড়ে প্রভাব আছে বলে লোকমুখে শোনা যেতে লাগলো। তবে অনেকেই বলে থাকেন, ভুত প্রেত কিছু নেই কিন্তু চলনবিলের এই অঞ্চলে জ্বীনের প্রভাব আছে। বিশেষ করে রাতের বেলা চলনবিল পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকেই জ্বীনের আছরের শিকার হয়েছেন বলে শোনা যায়। এমনকি অনেক পথিকও অশরীরির উপস্থিতি আঁচ করতে পেরেছেন বলে জনশ্রুতি আছে। তাই রাতের বেলা এইদিকে মানুষের আনাগোনা একদম কম থাকে।

Comments

comments