ঢাকা কলেজের ৭৬ ব্যাচের ছাত্রদের বন্ডিং যেন সিসাঢালা প্রাচীর: মঞ্জুরুল এম হাসান

0

এস.এইচ||

২৬শে মার্চের সন্ধাটা ঢাকা কলেজের ৭৬ ব্যাচের ছাত্রদের কাছে স্মরণীয় ক্ষণে পরিণত হয়েছে। রাজধানী ঢাকার ‘ফ্যালকন হল’-এ ছাত্র-শিক্ষক সম্মিলনের মধ্য দিয়ে এক আনন্দঘন মুহুর্তের সৃষ্টি করেছেন ৭৬ ব্যাচের এ ছাত্ররা। সেই সময়ের শিক্ষকদের একত্র করতে পেরে ও তাঁদের ছাঁয়াতলে পুনরায় কিছুটা সময় কাটাতে পেরে এ ছাত্ররা মহা আনান্দিত।

ছাত্র-শিক্ষকদের সম্মিলনের অনুভূতি জানতে রাইজিং নিউজ ২৪ মুখোমুখি হয়েছিলো ৭৬ ব্যাচের ছাত্র, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, বরেণ্য রাজনীতিবিদ মঞ্জুরুল এম হাসানের সঙ্গে। অনুষ্ঠান নিয়ে একান্ত আলাপচারিতায় তিনি নানা কথা বলেন। পাঠকদের উদ্দেশে কিছু কথা এখানে তুলে দেয়া হলো।

প্রিয় শিক্ষকদের সান্নিধ্য নিয়ে কথা বলতে তিনি বলেন, আমরা বন্ধুরা চরম সৌভাগ্যবান। আমাদের প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দীর্ঘদিনপর কিছুটা সময় কাটাতে পারলাম। তাদের ছাঁয়াতলে নিজেদেরকে আবারো কিছুটা সময় অতিবাহিত করতে পেরে আমরা খুব আপ্লুত। স্যারদের সঙ্গে কাটানো কোন মূহুর্ত আমরা ভূলতে পরি না। আর আজকের এই দিনটি তো কখনো ভূলবার নয়।

ছাত্র জীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আমরা খুব দুষ্ট ছিলাম। ব্যাক বেঞ্চে বসে ক্লাস টাইমে নানা দুষ্টুমিতে মজে থাকতাম। আবু সাইয়ীদ স্যারের ক্লাসে আমরা এতটা ভীড় জমাতাম যা কল্পনা করা যাবে না। স্যার অনেক মজা করে পড়াতেন। আসলে স্যারদের অনুপ্রেরণায় আমরা আজ পরিণত হযেছি।

অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাইয়ীদ স্যারের বক্তব্যে বলেছিলেন, আমার ছাত্ররা সব বৃদ্ধ হয়ে গেছে তবুও এরা তুই/তুমি করে একে অপরকে কথা বলে…এ প্রসঙ্গে মঞ্জুরুল এম হাসান বলেন, আমরা স্যারের খুব প্রিয় ছাত্র ছিলাম। তাদের অনুপ্রেরণাতে আমরা প্রত্যেক বন্ধু আজ প্রতিষ্ঠিত। আমাদের ভিতর একটা বন্ডিং আছে। আমাদের এই বন্ডিংটা সিসাঢালা প্রাচীরের ন্যায়।

ছাত্র জীবনের বন্ধুদেরকে কাছে পেয়ে আবেগ-আপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, আমি সত্যি সময়টা খুব উপভোগ করেছি। কতদিন পর পুরানো বন্ধুদেরকে বুকে নিতে পারলাম তা ভাষায় বুঝানো যাবে না। একসঙ্গে এতগুলো মুখ একত্রিত হতে পেরে আমি খুব আনন্দিত।

আযোজকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বন্ধু শহিদুজ্জামান সেলিমসহ যারা সকলকে একত্র করতে এতো সুন্দর একটি প্রয়াস রেখেছে তাদেরকে অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই।তাদের এ আয়োজনে আমরা সকলে মুগ্ধ। আয়োজকরা বেঁচে থাকুক আরো দীর্ঘকাল আর ভালো কিছু করার প্রত্যয়ে আরো দৃঢ় হোক তাদের পথচলা এই কামনা থাকলো।

 

Comments

comments