শিশুদের কৃমি সমস্যায় করণীয়

0

রাইজিং ডেস্কঃ

শিশুদের কৃমি একটি মারাত্মক ও নোংরাজনিত সমস্যা। নোংরা খাবার, পরিবেশ ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ফলে এর বিস্তার ঘটে। শিশুদের জীবনে যার ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। যেমন, খাবারে অরুচি, পুষ্টিহীনতা, পেট বড় হয়ে যাওয়া, পায়ুপথে চুলকানির মত সমস্যাগুলো হয়। কৃমি আকার, বর্ণ ও লম্বায় কয়েক প্রকারের হলেও প্রায় সব প্রকারের কৃমিই মানুষের অন্ত্রের ০.২ মি.লি. লিটার রক্ত শোষন করে।

 

কৃমি সম্পর্কে আমাদের বেশ কিছু ভুল ধারণা রয়েছে। যেমন, চিনি খেলে, বাচ্চাদের দাঁত কিড়মিড় করলে, পায়ুপথ চুলকানো মানেই কৃমি হওয়া। কিন্তু চিকিৎসকের মতে এর লক্ষণগুলো হচ্ছে খাওয়ার অরুচি, এলার্জি, ত্বকের র‍্যাশ, ওজন হ্রাস ও পেট ফাঁপা।

এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে দূরে থাকতে হবে। খাওয়ার আগে ও পরে পরিষ্কার পানিতে হাত ধোঁয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। দূষিত পানি পান থেকে বিরত থাকতে হবে। খালি পায়ে হাঁটা ও টয়লেট ব্যবহার করার অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। যেমন, স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে, টয়লেট ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিতে হবে।

আর মনে রাখতে হবে, শুধু দূষিত পানি পান থেকে নয়, দূষিত পানিতে রান্নার কাজ করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। শাকসবজি বিশুদ্ধ পানিতে ফুটিয়ে ও ধুয়ে নিতে হবে। চিকিৎসকদের মতে, আধা সেদ্ধ মাংস খেলেও কৃমি হয়। তাই রান্নায় মাংস ভালোভাবে সেদ্ধ হয়েছে কিনা নজর রাখুন।

কৃমির সমস্যা না থাকলেও আমাদের প্রত্যেকের তিন থেকে চার মাস পর পর কৃমির ওষুধ খেতে হবে। দুই বছর নিচের শিশুদের ওষুধ খাওয়াতে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কৃমি থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা বেশ জরুরি।

Comments

comments