সোয়াদ হত্যা রহস্য: ধরা ছোয়ার বাইরে অন্য দুই আসামী

0

শিরোনাম: সোয়াদ হত্যা রহস্য: ধরা ছোয়ার বাইরে অন্য দুই আসামী কে আছে সোয়াদ হত্যার আড়ালে? বাকি ২ আসামী কি ধরা পড়েছে? কেনো তারা এখনো ধরা ছোয়ার বাইরে? মামলায় যাদের কোনো নাম নেই তাদেরকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে একটি মহল কেনোই বা উঠে পড়ে লেগেছে? সোমবার(৬ই এপ্রিল) রাতে রাইজিং নিউজ ২৪কে দেয়া একটি সাক্ষাতকারে এ প্রশ্নগুলো তুলেন সোয়াদের নানা বাবুল আল মাইজ ভান্ডারী। এসময় তিনি তার নাতি সোয়াদকে হারানোর শোকে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, আমি আমার নাতির প্রকৃত হত্যাকারীদের বিচার চাই। সে যেই হোক না কেনো! যদি সত্যই আমার মেয়ে তাকে হত্যা করে থাকে তাহলে তার শাস্তি হোক। কিন্তু অন্য আসামীরা কোথায়? ২১শে মার্চ দায়ের করা মামলায় আরো ২ জন আসামীর নাম আছে যাদেরকে এখনো পুলিশ ধরতে পারেনি। গত ২০শে মার্চ, ২০১৮ইং তারিখে সাভারের ছায়াবিথী এলাকায় বাবুল ভান্ডারীর মেয়ে বাবলী আক্তারের বিরুদ্ধে তার সন্তান সোয়াদকে হত্যার অভিযোগ উঠে। বাবলীর স্বামী মোমিন তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তোলেন। সেদিন গণমাধ্যমে মোমিন বলেন, পরকীয়ার জের ধরে তার স্ত্রী সোয়াদকে হত্যা করেছে। সেসময় মোমিন বাবলীর ফেসবুক বন্ধু সুমন ও রনির বিরুদ্ধেও এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন এবং মামলা দায়ের করেন। একজন মা কিভাবে তার সন্তানকে হত্যা করতে পারে! আদৌ কি একাজ কোনো মায়ের পক্ষে করা সম্ভব! কথায় আছে পরিস্থিতি মানুষকে অনেক কাজ করতে বাধ্য করে। তাই বলে এহেন হীন কাজ কিভাবে কোনো মায়ের পক্ষে করা সম্ভব। এ প্রশ্নটা বারবারই যেনো মানুষের মনে ঘুরপাক খাচ্ছিল। এঘটনার সরেজমিন তদন্তের জন্য রাইজিং নিউজ এর সাভার প্রতিবেদককে পাঠানো হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের আাজকের এই প্রতিবেদন। ঘটনার পেছনের ঘটনা: সাভারস্থ ছায়াবিথী এলাকার বাবুল আল মাইজ ভান্ডারীর মেয়ে বাবলী। বাবলী বাবুলের প্রথম স্ত্রীর ঘরের মেয়ে। অনেক কষ্টে মেয়েকে বড় করে তোলেন বাবুল ভান্ডারী। মেয়ের জন্য যেনো তার ভালোবাসার শেষ নেই। তাই তো খেয়ে না খেয়ে মেয়েকে কোলে পিঠে করে মানুষ করেন বাবুল ভান্ডারী। এখানে বলে রাখা ভালো বাবুল আল মাইজ ভান্ডারী অন্যতম একজন সফল ব্যক্তিত্ব। প্রথম জীবন তার খুবই কষ্টে কেটেছিল। কিন্তু অত্যন্ত পরিশ্রমী একজন ব্যক্তি বাবুল। তাইতো অল্প দিনেই সে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয়ে উঠে। বাবুল ভান্ডারীর সংসারে আর্থিক স্বচ্ছলতা আসার পরপরেই বিভিন্ন জায়গা থেকে তার মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব আসতে শুরু করে। রেডিও কলোনীনিবাসী মোমিনের সাথে সম্বন্ধ ঠিক হয় বাবলীর। ধুমধাম করে তাদের বিয়েও হয়। মেয়ের সুখের জন্য তার বাবা ছেলের বাড়িতে বিভিন্ন উপঢৌকন ও নগদ অর্থ পাঠান। বাবুল ভান্ডারীর সাথে কথা বলে জানা যায়, বিয়ের সময় তিনি মেয়ের জামাইকে তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার আসবাব পত্র ও এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা নগদ প্রদান করেন। এরপর বিভিন্ন সময় তিনি তার মেয়ে ও মেয়ে জামাইকে নানাভাবে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন বলে জানা যায়। তবে বাবুল ভান্ডারীর দাবি এত কিছুর পরও তার মেয়ে স্বামীর ঘরে সুখ পায়নি। বেকার স্বামী নানাভাবে যৌতুকের জন্য বাবলীকে অত্যাচার করত। বাবুল ভান্ডারী তার সাধ্যমত মেয়ের জামাইয়ের চাহিদা পূরণ করতেন। সোয়াদের জন্ম: বিয়ের এক বছর পর বাবলীরে গর্ভে সোয়াদ আসে। বাবুল ভান্ডারী ভাবে সন্তান হলে মোমিনের স্বভাব-চরিত্র বদলাবে। সে কাজ করতে শুরু করবে। বাবুল ভান্ডারী সোয়াদের জন্মের সময় তার মেয়ে ও নাতির সকল খরচ নির্বাহ করেন। বলতে গেলে সোয়াদের জন্মের পর থেকে তার যাবতীয় খরচ তার নানাই বহন করেন। বাবলী মোমিনের সম্পর্কের অবনতি: সোয়াদের জন্মের পরও মোমিনের স্বভাব বদলায় না। সে কোনো কাজকর্ম করে না।তাই তাদের সংসারে অভাব অনটন লেগেই থাকতো। ফলে বাবলীর সাথে প্রায়ই তার স্বামীর ঝগড়া হতো। বাবুল ভান্ডারী প্রায়ই তার মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে বাজার সদাই পাঠাতেন। কিন্তু এরপরও তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে। বাবলী কয়েকবার তার বাবার বাড়িতেও চলে আসে কিন্তু বাবুল ভান্ডারী তাকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে স্বামীর বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু স্বামীর অত্যাচারে যখন বাবলী অতিষ্ঠ হয়ে উঠে তখন সে স্বামীর বাড়ি এসে থাকতে শুরু করে। উভয় পক্ষ থেকেই তখন সম্পর্ক চিরতরে বিচ্ছেদের প্রস্তাব আসে। মোমিনের পরিবার বাবলীর পরিবারের থেকে যা কিছু নিয়েছে তা এক সপ্তাহের মধ্যে ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। এ নিয়ে এলাকায় একটি শালিশও ঠিক করা হয়।”> সাদ্দাম হোসেন।।

কে আছে সোয়াদ হত্যার আড়ালে?বাকি ২ আসামী কি ধরা পড়েছে? কেনো তারা এখনো ধরা ছোয়ার বাইরে? মামলায় যাদের কোনো নাম নেই তাদেরকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে একটি মহল কেনোই বা উঠে পড়ে লেগেছে? সোমবার(৬ই এপ্রিল) রাতে রাইজিং নিউজ ২৪কে দেয়া একটি সাক্ষাতকারে এ প্রশ্নগুলো তুলেন সোয়াদের নানা বাবুল আল মাইজ ভান্ডারী। এসময় তিনি তার নাতি সোয়াদকে হারানোর শোকে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, আমি আমার নাতির প্রকৃত হত্যাকারীদের বিচার চাই। সে যেই হোক না কেনো! যদি সত্যই আমার মেয়ে তাকে হত্যা করে থাকে তাহলে তার শাস্তি হোক। কিন্তু অন্য আসামীরা কোথায়? ২১শে মার্চ দায়ের করা মামলায় আরো ২ জন আসামীর নাম আছে যাদেরকে এখনো পুলিশ ধরতে পারেনি।

গত ২০শে মার্চ, ২০১৮ইং তারিখে সাভারের ছায়াবিথী এলাকায় বাবুল ভান্ডারীর মেয়ে বাবলী আক্তারের বিরুদ্ধে তার সন্তান সোয়াদকে হত্যার অভিযোগ উঠে। বাবলীর স্বামী মোমিন তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তোলেন। সেদিন গণমাধ্যমে মোমিন বলেন, পরকীয়ার জের ধরে তার স্ত্রী সোয়াদকে হত্যা করেছে। সেসময় মোমিন বাবলীর ফেসবুক বন্ধু সুমন ও রনির বিরুদ্ধেও এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন এবং মামলা দায়ের করেন।

একজন মা কিভাবে তার সন্তানকে হত্যা করতে পারে! আদৌ কি একাজ কোনো মায়ের পক্ষে করা সম্ভব! কথায় আছে পরিস্থিতি মানুষকে অনেক কাজ করতে বাধ্য করে। তাই বলে এহেন হীন কাজ কিভাবে কোনো মায়ের পক্ষে করা সম্ভব। এ প্রশ্নটা বারবারই যেনো মানুষের মনে ঘুরপাক খাচ্ছিল। এঘটনার সরেজমিন তদন্তের জন্য রাইজিং নিউজ এর সাভার প্রতিবেদককে পাঠানো হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের আাজকের এই প্রতিবেদন।

ঘটনার পেছনের ঘটনা: সাভারস্থ ছায়াবিথী এলাকার বাবুল আল মাইজ ভান্ডারীর মেয়ে বাবলী। বাবলী বাবুলের প্রথম স্ত্রীর ঘরের মেয়ে। অনেক কষ্টে মেয়েকে বড় করে তোলেন বাবুল ভান্ডারী। মেয়ের জন্য যেনো তার ভালোবাসার শেষ নেই। তাই তো খেয়ে না খেয়ে মেয়েকে কোলে পিঠে করে মানুষ করেন বাবুল ভান্ডারী। এখানে বলে রাখা ভালো বাবুল আল মাইজ ভান্ডারী অন্যতম একজন সফল ব্যক্তিত্ব। প্রথম জীবন তার খুবই কষ্টে কেটেছিল। কিন্তু অত্যন্ত পরিশ্রমী একজন ব্যক্তি বাবুল। তাইতো অল্প দিনেই সে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয়ে উঠে। বাবুল ভান্ডারীর সংসারে আর্থিক স্বচ্ছলতা আসার পরপরেই বিভিন্ন জায়গা থেকে তার মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব আসতে শুরু করে। রেডিও কলোনীনিবাসী মোমিনের সাথে সম্বন্ধ ঠিক হয় বাবলীর। ধুমধাম করে তাদের বিয়েও হয়। মেয়ের সুখের জন্য তার বাবা ছেলের বাড়িতে বিভিন্ন উপঢৌকন ও নগদ অর্থ পাঠান। বাবুল ভান্ডারীর সাথে কথা বলে জানা যায়, বিয়ের সময় তিনি মেয়ের জামাইকে তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার আসবাব পত্র ও এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা নগদ প্রদান করেন। এরপর বিভিন্ন সময় তিনি তার মেয়ে ও মেয়ে জামাইকে নানাভাবে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন বলে জানা যায়। তবে বাবুল ভান্ডারীর দাবি এত কিছুর পরও তার মেয়ে স্বামীর ঘরে সুখ পায়নি। বেকার স্বামী নানাভাবে যৌতুকের জন্য বাবলীকে অত্যাচার করত। বাবুল ভান্ডারী তার সাধ্যমত মেয়ের জামাইয়ের চাহিদা পূরণ করতেন।
সোয়াদের জন্ম: বিয়ের এক বছর পর বাবলীরে গর্ভে সোয়াদ আসে। বাবুল ভান্ডারী ভাবে সন্তান হলে মোমিনের স্বভাব-চরিত্র বদলাবে। সে কাজ করতে শুরু করবে। বাবুল ভান্ডারী সোয়াদের জন্মের সময় তার মেয়ে ও নাতির সকল খরচ নির্বাহ করেন। বলতে গেলে সোয়াদের জন্মের পর থেকে তার যাবতীয় খরচ তার নানাই বহন করেন। বাবলী মোমিনের সম্পর্কের অবনতি: সোয়াদের জন্মের পরও মোমিনের স্বভাব বদলায় না। সে কোনো কাজকর্ম করে না।তাই তাদের সংসারে অভাব অনটন লেগেই থাকতো। ফলে বাবলীর সাথে প্রায়ই তার স্বামীর ঝগড়া হতো। বাবুল ভান্ডারী প্রায়ই তার মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে বাজার সদাই পাঠাতেন। কিন্তু এরপরও তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে। বাবলী কয়েকবার তার বাবার বাড়িতেও চলে আসে কিন্তু বাবুল ভান্ডারী তাকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে স্বামীর বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু স্বামীর অত্যাচারে যখন বাবলী অতিষ্ঠ হয়ে উঠে তখন সে স্বামীর বাড়ি এসে থাকতে শুরু করে। উভয় পক্ষ থেকেই তখন সম্পর্ক চিরতরে বিচ্ছেদের প্রস্তাব আসে। মোমিনের পরিবার বাবলীর পরিবারের থেকে যা কিছু নিয়েছে তা এক সপ্তাহের মধ্যে ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। এ নিয়ে এলাকায় একটি শালিশও ঠিক করা হয়।

সোয়াদ হত্যা: ২০শে মার্চ,২০১৮ ইং তারিখ সকালে বাবুল তার নাতি ও ছেলের সাথে দেখা করে ঢাকার উদ্দেশে বেরিয়ে যায়। সেখান থেকে ফিরে যখন সে সাভার থানা স্ট্যান্ডে আসে তখন জানতে পারে তার নাতি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সে তার মেয়েকে দ্রুত সোয়াদকে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে নিতে বলে। হাসপাতালে নেয়া হলে সোয়াদকে মৃত ঘোষণা করা হয়। চিকিৎসকের বক্তব্য: সেদিন হাসপাতালে থাকা কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সামুদ উজ জামান বলেন, সোয়দকে যখন হাসপাতালে আনা হয় তখন সে মৃত ছিল। তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন ছিল না। তার মা সন্তানের লাশ বুঝে নিয়ে চলে যায়। থানায় মামলা: ২১শে মার্চ মোমিন তার স্ত্রী বাবলী, বাবলীর ফেসবুক বন্ধু সুমন ও রনির বিরুদ্ধে সোয়াদ হত্যার দায়ে মামলা দায়ের করে।সাভার মডেল থানার উপ পরিদর্শক এনামুলকে এ মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় । লাশের ময়নাতদন্ত: সোয়াদের লাশ মযনাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়। সেখানে ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক উজ্জল কুমার সাহা সোয়াদের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য: মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এনামুলের সাথে কথা বলে জানা যায়, আদালতের নির্দেশে বাবলীকে দুই দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। সেখানে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তিনি সবকিছু বলতে রাজি হননি।

অন্য দুই আসামী: সোয়াদ হত্যাকান্ডে সাথে জড়িত অন্য দুই আসামীকে এখনো পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। বাবুল ভান্ডারীকে ফাসানোর প্রচেষ্টা: অন্য দুই আসামী ধরা ছোয়ার বাইরে থাকলেও একটি বিশাল চক্র বাবুলকে ফাসনোর চেষ্টা চালাচ্ছে। বারবার তার বাড়িতে পুলিশ যাওয়া আসা করছে বলেও জানা গেছে। তবে কেনো এমনটা হচ্ছে তা এখনো জানা যায়নি। ওসির বক্তব্য: সাভার মডেল থানার ওসি এ মামলার ব্যাপারে বলেন, খুব শীঘ্রই মামলার চার্জশীট দেয়া হবে। কোখায় আছে বাবলী? বাবলী বর্তমানে কাশিমপুর কারাগারে আছে। সে এখন মানসিকভাবে অনেকটা বিকারগ্রস্ত বলে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ: নানাবিধ কারণে বাবুল ভান্ডারি মনে করছেন তার নাতির হত্যা মামলা ভিন্ন দিকে মোড় নিচ্ছে। অনেকে এটার সুযোগও নেয়ার চেষ্টা করছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। তাই ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় বাবুল ভান্ডারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন

Comments

comments