{{theTime}} |   Sun 21 Jan 2018

কচাকাটায় মন্দির ভাংচুরের অভিযোগে সহোদর আটক ২

প্রকাশঃ রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০১৮    ১৮:০৩
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানা এলাকায় মন্দির ভাংচুরের অভিযোগে দুই সহদরকে আটক করেছে পুলিশ। এদিকে মন্দির স্থাপনের জায়গার কেনাবেচার টাকা নিয়ে দ্বন্দে সাজানো ঘটনায় মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ আটকদের পরিবারের। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানেরও একই অভিযোগ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে উপজেলার কেদার ইউনিয়নের বিঞ্চুপুর জেলেপাড়া দূর্গা মন্দির ভাংচুর করে মন্দিরের লক্ষি ঠাকুরের মূর্তি উল্টে রাখার অভিযোগ করে হাপা বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তি।এ অভিযোগে রাতেই পার্শ্ববর্তী আব্দুর রহমানের ছেলে জাকিউল ইসলাম ও এনামুল নামের দুই সহোদরকে বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে কচাকাটা থানা পুলিশ।

রোববার আব্দুর রহমান (৮০)  ও তার দুই ছেলের নামে মন্দির ভাংচুরের মামলা দিয়ে অটকদের জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ। জেলেপাড়ার বাসিন্দাদের  অভিযোগ রাতে ভাংচুরের শব্দ ও গালিগালাজে জেগে উঠে পাড়ার লোকজন। পরে পালিয়ে যায় ভাংচুরকারিরা। এদিকে আটক দুই সহোদরের পিতা আব্দুর রহমান অভিযোগ করেন মন্দির স্থাপনের জন্য মাঝিপাড়ার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন তার কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা চুক্তিতে ২৮ শতক জমি রেজিস্ট্রি নেয়। এর মাস পেরিয়ে গেলেও সে টাকা দেয়নি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন। পরে বিষয়টি সম্প্রদায়ের নেতা হাপা বিশ্বাসকে বললে তিনি দেই দিচ্ছি করে সময় কালক্ষেপন করলে সংশ্লিষ্ট কেদার ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করে জমির মালিক আব্দুর রহমান। চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে দুই দফা শালিশে টাকা দিতে সময় চায় হাপা বিশ্বাস। ঘটনার আগের দিন শালিল ছিল। ওইদিনও স্থানীয় কোন এক নেতার কাছ থেকে অনুদান নিয়ে জমির আড়াই লাখ টাকা দিতে চায় হাপা বিশ্বাস। এতে রাজী হয়নি আব্দুর ও তার ছেলেরা। বিষয়টি নিয়ে শালিশের পর সন্ধ্যায় হাপার সাথে আব্দুর রহমানের দুই ছেলের কথাকাটি হয়। এরই জেরে মন্দির নিজেরাই ভেঙ্গে সাজানো ঘটনা পুলিশকে জানায়।

এপ্রসঙ্গে কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক খলিল জানান, মন্দির ভাংচুরের ঘটনায় হাপা বিশ্বাস বাদী হয়ে আটক দুইজনসহ তাদের পিতাকে আসামী করে মামলা করেছে। আটকদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। আর্থিক দ্বন্দের বিষয়ে তিনি বলেন, হ্যা, তাদের মধ্যে জমির টাকা নিয়ে একটা বিরোধ চলছিল। কিন্তু বিষয়টা সেনসেটিভ।এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবোনা।

কেদার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান বলেন, এটা সম্পূর্ন সাজানো ঘটনা। হাপা বিশ্বাসরা জমি রেজিস্ট্রি নিয়ে আব্দুর রহমানকে টাকা দিচ্ছেনা মর্মে তারা একটা অভিযোগ দিয়েছে আমার কাছে। দুই দফা শালিশ করা হয়েছে। কিন্তু হাপা বিশ্বাস কবে টাকা দেবে তা বলেনা। নেতাদের কাছ থেকে পেলে দেবে। এটাতো হয়না। ঘটনার আগেরদিন আটক জাকিরুলের সাথে মন্দিরের লোকজনের কথা কাটাকাটি হওয়ায় রাতে তারা ভাংচুরের মিথ্যে অভিযোগ করে বলে এরা অভিযোগ করছে।
 

add.jpg
add.jpg

সম্পাদক

কাজী এম আনিছুল ইসলাম

ভারপ্রাপ্ত প্রকাশক

মোঃ আব্দুল হামিদ

আমাদের সাথে থাকুন
সদ্য সংবাদ