{{theTime}} |   Wed 17 Jan 2018

কুয়াশা আর প্রচন্ড শীতে জয়পুরহাটে বোরো ধানের বীজতলায় নানা ধরনের রোগবালাই

প্রকাশঃ শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৮    ১৯:৫০
risingnews24.com
risingnews24.com
জয়পুরহাট প্রতিনিধি

ঘন কুয়াশা আর হাড় কাঁপানো প্রচন্ড শীতে কাঁপছে উত্তরের জেলা জয়পুরহাট। এমন ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডার কারনে এবার বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে অনেকটায় বিপাকে পড়েছে জেলার কৃষকরা। কয়েক দিনের তীব্র শৈত্য প্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় অনেকটায় নষ্টের পথে এসব বীজতলা। দেখা দিয়েছে নানা ধরনের রোগ বালাই। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে বীজতলা ও চারা রক্ষায় দেওয়া হচ্ছে নানা ধরনের পরামর্শ।

উত্তরের জেলা জয়পুরহাটে গত আমন মৌসুমে ধানের বাজার মুল্য বেশ ভাল পাওয়ায় কৃষকরা এবার বোরো চাষের জন্য ব্যাপক ভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে। আর সে কারনে এবার এ মৌসুমে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭২ হাজার ৭৮৫ হেক্টর জমিতে। এ পরিমান জমিতে লাগানোর জন্য বীজতলা তৈরী এবং বীজ বপন করা হয়েছে ৩ হাজার ৭১৫ হেক্টর জমিতে।

কিন্তু উত্তরের কনকনে তীব্র শৈত্য প্রবাহ আর দিনভর সুর্যের আলো না থাকায়, হাড়কাঁপানো শীত আর ঘন কুয়াশায় জেলায় বোরো ধানের বীজতলা ও চারা নিয়ে অনেকটায় বিপাকে পড়েছে জেলার চাষীরা।

জয়পুরহাট সদর উপজেলার কাদোয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল বারিক বলেন, কয়েক দিনের তীব্র শৈত্য প্রবাহে আর ঘন কুয়াশায় অনেকটা নষ্টের পথে বীজতলা। দেখা দিয়েছে নানা প্রকার রোগ বালাই। এমন বৈরী আবহাওয়ায় বীজতলার চারা নষ্ট হলে বিপাকে পরবেন তারা।

এদিকে একই গ্রামের কৃষক সাদেকুল ইসলাম জানান, টানা এক সপ্তাহ ধরে ঘনকুয়াশা আর তীব্র শৈত্য প্রবাহে ধানের বীজতলায় দেখা দিয়েছে হলুদে ধরনের রোগ, যাতে কোন প্রকার ঔষধ ছিটিয়েও কোনো লাভ হচ্ছেনা। এ অবস্থায় কৃষি বিভাগের সহায়তা চাওয়ার পাশাপাশি আসছে মৌসুমে বোরো ধানের চাষ নিয়ে অনেকটায় সংকায় রয়েছে তারা। অন্যদিকে কোমর গ্রামের কৃষক মোকলেছুর রহমান নতুন বীজতলা তৈরী করে সবে মাত্র বীজ বপন  করেছেন। যদি এমন আবহাওয়ার কারনে চারা না গজায় অথবা এসব বীজতলা ও চারা নষ্ট হয়, তাহলে এ মৌসুমে বোরো উৎপাদনে চরম বিপর্যয়ের মুখে পরবেন এ জেলার চাষীরা, এমন কথাই বলছেন তিনি। 

জেলা কৃষি সম্পসারনের উপ-পরিচালক সুধেন্দ্র নাথ রায় রাইজিং নিউজ কে জানান, প্রচন্ড শীত এবং ঘন কুয়াশার কবল থেকে বীজতলা ও চারা রক্ষায় জেলা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের সার্বক্ষনিক দেওয়া হচ্ছে নানা ধরনের পরামর্শ, যাতে করে বীজতলা এবং চারা নষ্ট না হয়। এছাড়া ৭২ হাজার ৭৮৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধাণ চাষের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তা পুরোপুরি পুরনে আশাবাদী তিনি।

এদিকে এমন তীব্র শৈত্য প্রবাহ, হাড়কাঁপানো শীত আর ঘন কুয়াশার কবল এসব বোরো ধানের বীজতলা এবং চারা রক্ষা করে কৃষি নির্ভর এ জেলার কৃষকদের বোরো ধান চাষে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে আরো সহযোগীতা কামনা করছেন এ অঞ্চলের চাষীরা।

add.jpg
add.jpg

সম্পাদক

কাজী এম আনিছুল ইসলাম

ভারপ্রাপ্ত প্রকাশক

মোঃ আব্দুল হামিদ

আমাদের সাথে থাকুন
সদ্য সংবাদ