{{theTime}} |   Fri 19 Jan 2018

মদ্যপান শুধু শরীরকে নয় সামাজিক সত্ত্বাকেও ধংস করে

প্রকাশঃ মঙ্গলবার, ০২ জানুয়ারী ২০১৮    ১৮:৩৪
অনলাইন ডেস্ক নিউজ

সেই কবে ১৯ শতকে কলকাতায় টেকচাঁদ ঠাকুর প্রহসন লিখেছিলেন ‘মদ্যপান বড় দায়, জাত রাখার কি উপায়’ নামে। আজ এতদিন পরে মনে হচ্ছে, টেকচাঁদ ঠাকুর ওরফে প্যারীচাঁদ মিত্র কি ভবিষ্যৎদ্রষ্টা ছিলেন? যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রাইম অ্যান্ড সিকিউরিটি রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর ডিরেক্টর জোনাথন শেফার্ডের নেতৃত্বাধীন এক গবেষকদলের সমীক্ষায় যা উঠে আসছে, তাতে টেকচাঁদের বক্তব্যের এক বিপরীত ছবি উঠে আসছে। টেকচাঁদ লিখেছিলেন, ১৯ শতকের কলকাতায় মদ্যপায়ীদের প্রতাপে কীভাবে জাত-পাতের বিভাজন গোল্লায় যাচ্ছে। আর জোনাথন দেখাচ্ছেন, মদ্যপান শরীরী খারাপের সঙ্গে সঙ্গে এমন কিছু মানসিক পরিবর্তন ঘটায়, যাতে জাত-পাতের বোধ প্রখর হয়ে ওঠে। 

শুধু জাত-বেজাতের হিসেব নয়, মদ্যপায়ীরা ক্রমশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ‘অন্য যৌনতা’-র মানুষের প্রতিও। তাঁদের মধ্যে বর্ণবৈষম্যও বৃদ্ধি পায়। জোনাথন ও তাঁর গবেষক দল ১২৪ জন মদ্যপায়ীর উপরে সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন যে, এঁদের মধ্যে ১৮.৫ শতাংশ অতিরিক্ত মাত্রায় রক্ষণশীল। গবেষকরা জানাচ্ছেন এর কারণ একমাত্র অ্যালকোহল।  

কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা তিনটি জায়গায় তাঁদের সমীক্ষা চালান। বহুভাষিক, বহুসাংস্কৃতিক এই সব জায়গায় সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে, জাতি বা বর্ণবিদ্বেষের শিকার মানুষ মূলত আক্রান্ত হয়েছেন মাতালদের দ্বারা। কারোকে আক্রমণ করা হয়েছে তাঁদের গাত্রবর্ণের কারণে, কারোকে বাসস্থানের কারণে আবার কারোকে সমকামী হিসেবে চিহ্নিত করে। গবেষণা জানাচ্ছে, এর মূলে রয়েছে মদ। 

add.jpg
add.jpg

সম্পাদক

কাজী এম আনিছুল ইসলাম

ভারপ্রাপ্ত প্রকাশক

মোঃ আব্দুল হামিদ

আমাদের সাথে থাকুন
সদ্য সংবাদ