{{theTime}} |   Wed 17 Jan 2018

মিশরীয় নারীদের যন্ত্রনাদায়ক এক ভয়ংকর তথ্য

প্রকাশঃ মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭    ১৩:৪৭
অনলাইন ডেস্ক নিউজ

মিশরীয় নারীদের অদ্ভুদ এক প্রথার নাম যোনীচ্ছেদ প্রথা। সেখানে মেয়েদের খৎনা দেওয়া হয়ে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ধর্মীয় কারণে, আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রথার নামে করা হয় এই ষন্ত্রণাদায়ক প্রক্রিয়া।

যন্ত্রনাদায়ক এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় মিশরীয় নারীদের।

অসহায় কিশোরীদের যন্ত্রনা
চিৎকার কট্টরপন্থীদের কানে গিয়ে পৌঁছয় না। কিন্তু এবার ধর্মীয় বিশ্বাস বা প্রথার নামে এই যন্ত্রণাদায়ক প্রথার অবসান করতে উঠে পড়ে লেগেছে মিশরের প্রশাসন।

সাম্প্রতিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে একচাঞ্চল্যকর তথ্য। সে দেশের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মহিলারাই যোনিচ্ছেদের ফলে যৌনসঙ্গমের সময় অর্গ্যাজম নামক সুখানুভূতি থেকে বঞ্চিত। শারীরিক ভাবে মেয়েরা তৃপ্তিবোধ করতে অহ্মম।

এর বিরুদ্ধে নানা নিয়ম করা হয়েছে । কিন্তু মিশর, আফ্রিকার অন্যান্য দেশের মতো এলাকায় নিয়মের তোয়াক্কা থোড়াই না করে আম জনতার একাংশ। ফল, নির্বিচারে চলে কিশোরী কন্যাদের যোনিচ্ছেদ প্রক্রিয়া।

যেখানে কিনা নারীর অধিকার আদায়ে সোচ্চার সারা বিশ্ব সেখানে কিনা মিশরের মত একটি দেশে নারীদের সম্মুখীন হতে হয় এমন ভয়ংকর পরিস্থির সামনে।

যন্ত্রণাদায়ক এই প্রক্রিয়ায় মহিলাদের যোনির অনেকটা অংশই শরীর থেকে বাদ দেওয়া হয়। যার ফলে তাঁদের শরীর যৌনক্রিয়ায় অনেক পড়ে সাড়া দেয়। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে যৌনক্রিয়ার সময় মহিলারা কোনও অনুভূতিই অনুভব করতে পারছে না। তাদের অনুভূতি ভোতা হয়ে যায়।

মিলনের সময় যখন একটি শরীর সাড়াই না দেয় তাহলে সঙ্গীও সুখানুভূতি থেকে বঞ্চিত হন। যার ফলে বাড়ছে দাম্পত্য কলহ এবং বিচ্ছেদের মতো ঘটনা।

মিশরে ইতিমধ্যেই মহিলাদের যৌনাঙ্গ ছেদের প্রক্রিয়াকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

কেউ এই প্রক্রিয়ায় শামিল থাকলে তাঁর ন্যূনতম সাত বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এতদিন সেভাবে এই আইন প্রয়োগ করা হত না। কিন্তু সাম্প্রতিক সমীক্ষায় টনক নড়েছে প্রশাসনের। তাই মহিলাদের অবৈধ যোনিচ্ছেদের বিষয়টি নিয়ে আরও কড়া হতে চলেছে সে দেশের সরকার।

add.jpg
add.jpg

সম্পাদক

কাজী এম আনিছুল ইসলাম

ভারপ্রাপ্ত প্রকাশক

মোঃ আব্দুল হামিদ

আমাদের সাথে থাকুন
সদ্য সংবাদ